রোববার (১ নভেম্বর) পটিয়া প্রেস ক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।
প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবদুল হাকিম রানার সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শফিউল আজমের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন সাবেক সভাপতি এস এম এ কে জাহাঙ্গীর (দৈনিক ভোরের কাগজ), সিনিয়র সহসভাপতি আবদুর রাজ্জাক (দৈনিক প্রথম আলো), অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক সেলিম চৌধুরী (দৈনিক জনতা), যুগ্ম সম্পাদক ফারুকুর রহমান বিনজু (দৈনিক আমাদের অর্থনীতি), অর্থ সম্পাদক রবিউল আলম ছোটন (দৈনিক পূর্বকোণ), সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সুজিত দত্ত (দৈনিক আমাদের সময়), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এস এম রহমান (দৈনিক নয়া দিগন্ত), দপ্তর সম্পাদক কামরুল ইসলাম (দৈনিক আজকালের খবর), ক্রীড়া সম্পাদক ওবাইদুল হক পিবলু (সিপ্লাস টিভি ও দৈনিক বাংলাদেশ বুলেটিন), তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক কাউছার আলম (দৈনিক কালের কণ্ঠ ও দৈনিক পূর্বদেশ) এবং আপ্যায়ন সম্পাদক শাহজাহান চৌধুরী (দৈনিক মানবজমিন)।
এ ছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন কার্যকরী সদস্য এস এম জুয়েল (দৈনিক আমার বার্তা), আবদুল্লাহ আল নোমান (প্রতিদিনের কাগজ), রাফিউল আকরাম আলভী (খবরের কাগজ), মো. ওয়াহিদুল ইসলাম (মানবকণ্ঠ), মো. শাকিল (সকালের শিরোনাম), তামিম চৌধুরীসহ প্রেস ক্লাবের অন্যান্য সদস্য।
সভায় বক্তারা বলেন, পটিয়া প্রেস ক্লাব ১৯৭৭ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে। সংগঠনটি নিজস্ব গঠনতন্ত্র ও নির্ধারিত বিধিবিধান অনুযায়ী পরিচালিত হয়। প্রেস ক্লাবের সদস্যপদ পেতে নির্দিষ্ট যোগ্যতা ও শর্ত পূরণ করে আবেদন করতে হয়। পরবর্তী সময়ে কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে সদস্যপদ দেওয়া হয়।
বক্তারা আরও বলেন, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন কিছু প্রচার-প্রচারণা লক্ষ করা যাচ্ছে, যেখানে প্রেস ক্লাবের সদস্য নন—এমন কিছু ব্যক্তি নিজেদের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্বশীল হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ধরনের প্রচারণা সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে এবং সাংবাদিক সমাজের মর্যাদা, পেশাগত শিষ্টাচার ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
তাঁরা বলেন, একটি পেশাদার সাংবাদিক সংগঠনের পরিচয় ও পদ-পদবি ব্যবহারের ক্ষেত্রে গঠনতন্ত্র, সাংগঠনিক নিয়মনীতি এবং স্বচ্ছতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা জরুরি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো তথ্য প্রচারের আগে তার সত্যতা যাচাই করা প্রত্যেকের দায়িত্ব।
সভায় বক্তারা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সাংবাদিক সমাজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়, এমন কর্মকাণ্ড পরিহার করে পেশাগত শিষ্টাচার ও পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখার অনুরোধ জানান তাঁরা।